Showing posts with label Torag news24. Show all posts
Showing posts with label Torag news24. Show all posts

Thursday, October 28, 2021

Kindle Paper white Essentials Bundle including Kindle Paper white - WiFi

 

Kindle Paper white Essentials Bundle including Kindle Paper white - WiFi , Ad-Supported, Amazon Leather Cover, and Power Adapter



  • he thinnest, lightest Kindle Paperwhite yet—with a flush-front design and 300 ppi glare-free display that reads like real paper even in bright sunlight.
  • Now waterproof, so you’re free to read and relax at the beach, by the pool, or in the bath.
  • Enjoy twice the storage with 8 GB. Or choose 32 GB to hold more magazines, comics, and audiobooks.
  • Now with Audible. Pair with Bluetooth headphones or speakers to listen to your story.
  • A single battery charge lasts weeks, not hours.
  • The built-in adjustable light lets you read indoors and outdoors, day and night.
  • Get instant access to new releases and bestsellers, plus over a million titles at $2.99 or less.

Product Link- https://amzn.to/3bqy832

Tuesday, October 19, 2021

Philips Sonicare HX9023/65 Genuine C2 Optimal Plaque Control Toothbrush Head

 

Philips Sonicare HX9023/65 Genuine C2 Optimal Plaque Control Toothbrush Head, 3 Pack, White




About this item

  • Genuine Philips Sonicate rechargeable electric toothbrush head compatible with all Philips Sonicate click-on rechargeable toothbrush handles
  • Recommended power toothbrush brand by Dental Professionals
  • Up to 6x more plaque removal versus a manual toothbrush
  • Power Tip targets plaque along the gum line
  • Brush Sync mode-pairing and replacement reminders when used with a brush Sync compatible handle (diamond Clean Smart or protective Clean
Product Link- https://amzn.to/3aSgYv2

Thursday, September 30, 2021

বাংলার ঐতিহাসিক খেলাঃ

 বাংলার ঐতিহাসিক খেলঃ


হাডুডু খেলাঃ বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী হাডুডু খেলার পোশাকি নাম কাবাডি। ... পুরো দক্ষিণ এশিয়াতে কাবাডি প্রচলিত থাকলেও এর উৎপত্তি স্থল পাঞ্জাব। কাবাডির উৎপত্তি সম্পর্কে আরেকটি মত হচ্ছে, মহাভারতে বর্ণিত অভিমন্যু কর্ত্তৃক কৌরব সৈন্যদের চক্রব্যুহ ভেদ করার ব্যর্থ চেষ্টার ঘটনা থেকে ধারণা নিয়ে এ খেলার সৃষ্টি হয়।


নিয়ম কানুনঃ

১ নং নিয়ম: খেলা শুরুর আগে দু’দলের অধিনায়কের উপস্থিতিতে রেফারি কয়েন দ্বারা টস করবেন। টস জয়ী অধিনায়ক কোর্ট পছন্দ বা বিপক্ষের কোর্টে রেইড করার যে কোন একটিবেছে নেবেন। খেলার দ্বিতীয়ার্ধে কোর্ট বদল হবে এবং যে দল প্রথমে রেইড করেনি তারা রেইড করার সুযোগ পাবে। প্রথমার্থে খেলা শেষে উভয় দলের যে একজন খেলোয়াড় বেঁচেছিল কেবল তারাই খেলায় অংশ নেবে। অর্থাৎ যারা আউট হয়ে সিটিং ব্লকে বসেছিল তারা আউট খেলোয়াড় হিসেবে বসে থাকবে।

২ নং নিয়ম: কোন খেলোয়াড় মাঠের বাউন্ডারির বাইরের ভূমি স্পর্শ করলে তাকে ’আউট’ বলে ধরা হবে। কিন্তু ষ্ট্রগলের সময় কোর্টেও বাইরের ভূমি স্পর্শ করলেও যদি তার শরীরের কোন অংশ সরাসরি সীমানার মধ্যে অবস্থিত কোন খেলোয়াড়কে বা ভূমি স্পর্শ করে তবে তিনি আউট হবেন না।

৩ নং নিয়ম: খেলা চলাকালে কোন এ্যান্ট্রি সীমানার বইরে চলে গেলে তিনি আউট হবেন। রেফারি বা আম্পায়ার তাকে তখনি কোর্টের বাইরে যেতে নির্দেশ দেবেন এবং জোরে তার নম্বর উচ্চারণ করে তাকে আউট ঘোষণা করবেন। তখন রেইড চলতে থাকলে এজন্য তিনি কোন বাশিঁ বাজাবেন না।

৪ নং নিয়ম: রেইড চলাকালে যদি কোন এ্যান্ট্রির শরীরের কোন অংশ কোর্টের বাইরের ভূমি স্পর্শ করে বা বাইরে চলে যায়  এবং  তিনি রেইডারকে ধরে ফেলেন তবে রেইডার আউট হবেন না। কোর্টের বাইরে চলে যাবার ফলে ঐ এ্যান্ট্রি আউট হবেন।

৫ নং নিয়ম: ষ্ট্রাগল শুরু হলে উভয় দিকের লবি খেলার মাঠের অন্তর্ভুক্ত অংশ হিসেবে গণ্য হবে। ষ্ট্রাগল শেষ হবার পর ষ্ট্রাগলে জড়িত খেলোয়াড়গণ নিজের কোর্টে প্রবেশের জন্য লবি ব্যবহার করতে পারেন।

৬ নং নিয়ম: রেইডার ’কাবাডি’ শব্দ জোরে উচ্চারণ করে ক্যান্ট দেবেন। যদি কাবাডি শব্দ উচ্চারণ না করে ক্যান্ট বা ডাক দেন তবে রেফারি বা আম্পায়ার তাকে নিজেরকোর্টে পাঠিয়ে সতর্ক করে দেবেন এবং বিপক্ষকে রেইড করার সুযোগ দেবেন। এমতাবস্থায় ফেরৎ যাওয়া রেইডারকে এ্যান্ট্রি দল তাড়া করতে পারবে না।

৭ নং নিয়ম: রেইডার বিপক্ষের কোর্ট স্পর্শ করার আগেই ক্যান্ট বা ডাক আরম্ভ করবেন। যদি ক্যান্ট বিলম্বে শুরু করে তবে রেফারি বা আম্পায়ার রেইডারকে নিজ কোর্টে ফেরৎ পাঠাবেন এবং সতর্ক করে দেবেন। এর ফলে বিপক্ষকে রেইড করার সুযোগ দেয়া হবে। এ অবস্থায়ও বিপক্ষ দল রেইডারকে তাড়া করতে পারবে না।

নোট: রেইডার যদি দেরিতে ক্যান্ট বা ডাক শুরু করে এবং কোন এ্যান্ট্রিকে স্পর্শ করে তাহলেও এ্যান্ট্রি আউট হবে না।

৮ নং নিয়ম: কোন রেইডারকে সতর্ক করে দেয়ার পরও যদি তিনি উল্লেখিত ৬ ও ৮ নং নিয়ম ভঙ্গ করেন তবে রেফারি বা আম্পায়ার বিপক্ষকে একটি পয়েন্ট দেবেন। তবে আইন অমান্যকারী রেইডার আউট হবেন না।

৯ নং নিয়ম: রেইডার বিপক্ষের কোর্ট পরপর তিনবার রেইড করবেন। পরপর তিনবার রেইড করার পরও যদি রেইডার কোন পয়েন্ট লাভ করতে না পারেন তবে বিপক্ষ একটি পয়েন্ট পাবে। ব্যার্থ রেইডের জন্য আম্পায়ার এই পয়েন্ট ঘোষনা করবেন এবং স্কোরশীটে চিহ্ন দিয়ে ধারাবাহিক ফলাফল রক্ষা করবেন। লোনা, বিরতির পর বা অতিরিক্ত সময়ের খেলায় এই ব্যর্থ রেইড গণ্য হবে না।

নোট: প্রত্যেক আম্পায়ার তর ডান দিকের কোর্টে অংশগ্রহণকারী খেলোযারদের এই নিস্ফল রেইড গুনবেন। দু’বার ব্যর্থ রেইড হয়ে গেলে তৃতীয়বার রেইড শুরুর আগেই আম্পায়ার তৃতীয় ও শেষ রেইড করার মধ্যে যদি একবার পয়েন্ট অর্জিত হয় তবে পুনরায় নতুন করে নিস্ফল গোনা শুরু হবে।

১০ নং নিয়ম: একজন রেইডার নিরাপদে কোর্টে ফেরার পর অথবা বিপক্ষের কোর্টে ধরা পড়ে আউট হলে বিপক্ষ দল  সেকেন্ডের মধ্যে রেইড করবে। এভাবে খেলা শেষ না হওয়া পর্যন্ত রেইড চলতে থাকবে।

নোট: রেফারি ও আম্পায়ার ৫ সেকেন্ডের বিষয়টি খেয়াল রাখবেন।

১১ নং নিয়ম: যদি কোন রেইডার এ্যান্ট্রি দ্বারা ধরা পড়ে ষ্ট্রাগল করার পর নিজের কোর্টে নিরাপদে ফিরে আসতে পারে তবে বিপক্ষ দল তাড়া করতে পারবে না।

নোট: যদি কোন রেইডার কোন এ্যান্ট্রিকে ছুঁয়ে নিজের কোর্টে ফিরে আসে তবে তাকে তাড়া করা যাবে না।

১২ নং নিয়ম: বিপক্ষের কোর্টে একসাথে একজন রেইডার রেইড করবেন। কখনোই একজনের অধিক হবে না। যদি একাধিক রেইডার একসাথে রেইড করে তবে রেফারি তাদের সকলকে নিজের কোর্র্টে ফেরৎ পাঠাবেন এবং এ কারণে তাদের রেইড কারা সুযোগ বাতিল করে বিপক্ষকে রেইড করার সুযোগ দেবেন। এ অবস্থায় রেইডারগণ কোন এ্যান্ট্রিকে ছুঁয়ে দিলে তা কার্যকরী হবে না। এ সময় রেইডারকে তাড়া করা যাবে না।

১৩ নং নিয়ম: একসাথে একাধিক রেইডার বিপক্ষের কোর্টে হানা দিলে রেফারি বা আম্পায়ার সতর্ক করে দেবেন। সতর্ক করার পরও এ ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটলে রেফারি বা আম্পায়ার প্রথম প্রবেশকারী রেইডার ছাড়া বাকি সবাইকে ’আউট’ বলে ঘোষনা করবেন। রেফারি রেইডারদেরকে সতর্ক করবেন।



১৪ নং নিয়ম: বিপক্ষের কোর্টে হানা দেয়ার সময় কোন রেইডার ক্যান্ট বা ডাক বন্ধ করলে তিনি আউট হবেন।

১৫ নং নিয়ম: রেইডার এ্যান্টির কোর্টে ধরা পড়লে এ্যান্টিগণ রেইডারকে অবৈধভাবে (নাক মুখ আটকিয়ে আহত হতে পারে এমন কৌশল অবলম্বন করে অথবা অন্যভাবে) আটকাতে পারবে না। এমন করলে রেইডার আউট হবে না বরং এ্যান্টিকে সতর্ক করে দেবেন।

১৬ নং নিয়ম: কোন রেইডার কোন এ্যান্টিকে অথবা কোন এ্যান্টি কোন রেইডারকে ইচ্ছাকৃতভাবে ধাক্কা দিয়ে কোর্টেও বাইরে ফেলে দিতে পারবে না। এমনি করলে রেফারি বা আম্পায়ার উক্ত খেলোয়াড়কে ’আউট’ ঘোষনা করবেন।

নোট: এ ব্যাপরে রেফারি বা আম্পায়ার যথেষ্ট সতর্কতা অবলম্বন করবেন। ঘটনাটি ইচ্ছাকৃত না অনিচ্ছাকৃত তা লক্ষ্য করতে হবে।

১৭ নং নিয়ম: রেইডারের সফল হানা শেষে মধ্য রেখা পার হয়ে নিজের কোর্টে না ফেরা পর্যন্ত যদি কোন এ্যান্টি রেইডারের কোর্টে হানা দেয়ার জন্য মধ্য রেখা পার হয়ে বিপক্ষের কোর্টের ভূমি স্পর্শ করেন তবে তিনি আউট হন এবং তিনি যদি কোন রাইডারকে নিজের কোর্টে ধরে রাখতে সাহায্য করেন বা ধরেন তবে সেই রেইডার আউট হবেন না বরং যে এ্যান্ট্রি রেইডারের কোর্ট স্পর্শ করবেন তিনি আউট হবেন।

১৮ নং নিয়ম: নিজের পালা ছাড়া কোন রেইডার রেইডার করতে গেলে রেফারি তাকে ফেরৎ পাঠাবেন এবং সতর্ক করে দেবেন। রেইডার পক্ষ একবার সতর্কিত হবার পরও যদি ইচ্ছাকৃত দ্বিতীয়বার এ রকম অপরাধ করে তবে রেফারি বিপক্ষ দলকে একটি পয়েন্ট দিতে পারেন।

নোট: এই পয়েন্টের ফলে বিপক্ষের কোন আউট খেলোয়াড় ইন হবে না।

১৯ নং নিয়ম: একটি দল যখন বিপক্ষ দলের সব খেলোয়ড়কে আউট করতে পারবে তখন একটি লোনা পাবে। এই লোনার দুই পয়েন্ট অতিরিক্ত হিসেবে ঐ দলের মোট পয়েন্টের সাথে যুক্ত হবে। লোনার পর পুনরায় খেলা শুরু হবে এবং সকল খেলোয়াড় ১০ সেকেন্ডের মধ্যে কোর্টে প্রবেশ করবে। যে দল কোর্টে প্রবেশ করতে দেরি করবে রেফারি তার বিপক্ষ দলকে একটি পয়েন্ট দান করবেন। এরপরও কোর্টে আসতে দেরি করলে রেফারি প্রতি ৫ মিনিট অন্তর বিপক্ষ দলকে একটি করে পয়েন্ট দিতে থাকবেন খেলার শেষ সময় পর্যন্ত।

২০ নং নিয়ম: রেইডারের বিপক্ষ কোর্টে বিপজ্জনকভাবে খেলা বা নিজ দলের নির্দেশ মোতাবেক খেলার জন্য রেফারি রেইডারকে সকর্ত করে দেবেন। এর পুনরাবৃত্তি ঘটলে বিপক্ষকে একটি পয়েন্ট প্রদান করবেন।

নোট: ডবপক্ষ কোর্টে রেইডার হানা দেবার সময় শুধুমাত্র এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে।

২১ নং নিয়ম: একজন রেইডারের শরীর বা ধর ছাড়া অন্য কোথাও ধরা যাবে না। এই নিয়মের ব্যাতিক্রম যিনি করবেন তিনি আউট হবেন। রেইডারকে ইচ্ছাকৃত বা ন্যায়ভাবে ধরা না হয় তবে আউট হবেন না।

নোট: কোন রেইডারের কাপড় বা চুল ধরে রাখলে তিনি আউট হবেন না। পক্ষান্তরে যে এ্যান্টি কাপড় বা চুল ধরবে তিনি আউট হবেন।

২২ নং নিয়ম: খেলা চলাকালে কোন পক্ষের একজন বা দুইজন খেলোয়াড় অবশিষ্ট থাকে এবং অধিনায়ক যদি তাদেরকে আউট ঘোষণা করতে চান এবং পুরো দলকে কোর্টে নামাতে চান তবে বিপক্ষ দল আউট ঘোষণাকৃত খেলোয়াড়দের পয়েন্টসহ একটি লোনা পাবে।

নোট: কেবলমাত্র অধিনায়ক এ ঘোষণা দিয়ে সম্পূর্ণ দল মাঠে নামাতে পারেন।

২৩ নং নিয়ম: খেলোয়াড়গণ যে সিরিয়াল অনুসারে আউট হবে আবার সেই সিরিয়াল অনুসারে বিপক্ষের খেলোয়াড়দের আউট হবার পরিবর্তে কোর্টে প্রবেশ করবে।

নোট: আউট হওয়া এবং পুনরায় বেঁচে যাওয়া সিরিয়াল অনুসারে হবে। সহকারী স্কোরার এ বিষয় লক্ষ রাখবেন এবং স্কোরশীটে আউট হওয়া বেঁচে যাওয়া খেলোয়াড়দের হিসাব রাখবেন।

Tuesday, September 28, 2021

সুস্থ্য থাকতে যোগ ব্যায়ামঃ

 

যোগ ব্যায়ামঃ

অনেকের মতে যোগ ব্যায়াম হল এমন এক চর্চা  যার মাধ্যমে দেহের নানা অঙ্গ প্রত্যঙ্গের সঠিক চালনা, যোগাযোগ ও সুস্থতা বজায় থাকে।



যোগ ব্যায়াম হল জীবনের সাথে প্রকৃতির যোগসূত্র খুঁজে পাওয়ার একটি মাধ্যম। তাই বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গি ও নিশ্বাস প্রশ্বাসের চালনা দ্বারা প্রকৃতির বাস্তবতাকে শরীরের মাধ্যমে খুঁজে পাওয়া যায়। যোগ ব্যায়ামের দ্বারা প্রত্যেটি ইন্দ্রিয়কে সজাগ করে জগতের সাথে ঘনিষ্টতা আনা সম্ভব হয়। আত্মবিশ্বাস ও সাত্ত্বিকতা খুঁজে পাওয়ার জন্যে যোগাসন করা খুবই প্রয়োজনীয়।


 উপকারিতা -

  যোগাসন আমাদের পেটের অভ্যন্তরীণ অঙ্গ—যেমন পাকস্থলী, ক্ষুদ্রান্ত্র, বৃহদান্ত্র, যকৃৎ কার্যকর করে। ফলে হজমশক্তি উন্নত হয় এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। *চাপ দূর করতে যোগাসনের বিকল্প নেই। *শরীরের রক্তসঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করে যোগাসন, যার ফলে অভ্যন্তরীণ শক্তিপ্রবাহের মাত্রা বেড়ে যায়, ফলে আমরা কর্ম–উদ্যমী হয়ে উঠি।

যোগাসনের অভ্যন্তরীণ স্বাস্থ্য উপকারিতা 

অভ্যন্তরীণ ভাবে স্বাস্থ্যের উপকারিতা প্রদান করতে যোগাসনের ভূমিকা প্রবল। রক্ত সঞ্চালন থেকে শুরু করে শরীরের যেকোনো ব্যাথা বা কষ্ট কমাতে যোগ ব্যায়ামের কোনো বিকল্প নেই। আপনি যদি নিয়ম করে ২ মাস যোগাসন চর্চা করেন তাহলে অনায়সে শরীরে পরিবর্তন অনুভব করতে পারবেন।

 রক্ত সঞ্চালন:

যোগাসনের সাহায্যে শরীরে অক্সিজেন ও প্রয়োজনীয় পুষ্টি সঠিকভাবে প্রবেশ করে। তাই রক্ত সঞ্চালন  সঠিকভাবে বজায় রাখা যায়। এর ফলে সমস্ত অঙ্গগুলি ঠিক করে কাজ করে ও ত্বকে ঔজ্জ্বল্য আসে।

উচ্চ রক্তচাপ কমাতে:

প্রতিদিন নিয়ম করে যোগাসন করলে রক্ত সঞ্চালন ও অক্সিজেনের সঠিক চালনা হওয়ার ফলে উচ্চ রক্তচাপ কমে আসে। এতে শরীর ঠাণ্ডা হয়।

শ্বাসকষ্ট বা হাঁপানির সমস্যা কমাতে:

হাঁপানির টান বা শ্বাসকষ্টের সমস্যা থাকলে  যোগাসন করার অভ্যেস করুন। এতে ফুসফুসের কার্যকারিতা ধীরে ধীরে সঠিক ছন্দে আসে ও আরাম পাওয়া যায়।

গ্যাসের জন্যে ভাল:

প্রতিদিন যোগাসন করলে হজম ক্ষমতা বেড়ে যায় যার ফলে গ্যাসের সমস্যা সহজে সমাধান হয়। এছাড়া পেটের অন্যান্য সমস্যাও নিরাময় হয়।

 ধৈর্য্য শক্তি বাড়ে:

শরীরের নানারকমের ব্যাথা কমানো ছাড়াও, মস্তিস্ক শান্ত করতে সাহায্য করে যোগাসন। এর ফলে ধৈর্য্য ক্ষমতা বাড়ে ও মনের শান্তি বজায় থাকে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে:

যোগাসন অভ্যাসের সাথে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার যোগাযোগ রয়েছে। যোগাসনের সাহায্যে শরীরের কোষগুলি নষ্ট হওয়া রোধ করা যায় ও শরীর ধীরে ধীরে তার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ফিরে পায়।

 কোলেস্টরল কমে আসে: 

যোগাসনের ফলে হার্টের স্বাস্থ্য ভাল থাকে ও রক্ত সঞ্চালন ভাল হয়। এই সব কিছুর কারণে কোলেস্টরল অনায়াসে নিয়ন্ত্রণ করা যায় ও ভালো কোলেস্টরল উৎপন্ন করা যায়।

পিঠে ব্যাথা কমায়:

পিঠে ব্যাথা কমাতে দারুণ উপকারিতা প্রদান করে যোগাসন। প্রতিদিন ৩০ মিনিট পিঠ সোজা করে পদ্মাসন করলে খুব শিগ্রই পিঠের ব্যাথার উপশম হয়।

Saturday, September 25, 2021

যেসব খাবার আপনাকে দীর্ঘজীবন সুস্থ্য রাখবেঃ

 যেসব খাবার আপনাকে দীর্ঘজীবন সুস্থ্য রাখবেঃ



প্রতিটি মানুষই অনাদি-অনন্তকাল বেঁচে থাকতে চায়।তবে,অসুস্থ হয়ে অনাদি-অনন্তকাল বেঁচে থাকার চাইতে সুস্থভাবে বেঁচে স্বাভাবিক জীবন  নিয়ে বেঁচে থাকাটা অনেক জরুরি।আর,দীর্ঘদিন সুস্থভাবে বেঁচে থাকতে হলে আমাদের জানতে হবে কোন খাবারগুলো আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য ভাল। তবে,শুধু পুষ্টিকর খাবার খেলে সুস্থ থাকা বা দীর্ঘজীবী হওয়া সম্ভব নয়। নিয়মিত,শারীরিক পরিশ্রম,পুষ্টিকর খাবার গ্রহন,অতিরিক্ত চিন্তা পরিহার করা,পর্যাপ্ত বিশ্রাম এই ব্যাপার গুলোকে ও সমন্বয় সাধন করতে হবে। সুস্থ এবং নীরোগ থাকতে হলে নিচের খাবার গুলো নিয়মিত আপনার খাদ্যতালিকায় রাখুন:

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার-


 
যারা দীর্ঘজীবন পেতে চান তাদের উচিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করা। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এজন্য গুরুত্বপূর্ণ যে,তারা ফ্রি র‍্যাডিকেল কে নিষ্ক্রিয় করে আমাদের দেহকে বিপদমুক্ত রাখতে সাহায্য করে। দেহে,অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের অভাব হলে ফ্রি র‍্যাডিকাল আমাদের দেহের কোষকে আক্রমন করে।ফলে নির্দিষ্ট কিছু রোগ যেমন: ক্যান্সার এবং আমাদের বয়স বাড়ার প্রক্রিয়া দ্রুত হয়ে যায়।এজন্য,আমাদের প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমানে বিভিন্ন রঙের শাকসবজি এবং ফলমূল খেতে হবে যেন আমাদের দেহে ফ্রি র‍্যাডিকালকে প্রতিরোধ করার মত অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের কোন অভাব না হয়।

বিন জাতীয় খাবার-



 বিন জাতীয় খাবার হল অনেকটা নিউট্রেশন পাওয়ার হাউজের মত। বিনে থাকা ফাইবার আমাদের হজম প্রক্রিয়াকে ভাল রাখতে সাহায্য করে।পাশাপাশি,ওবেসিটি,ডায়াবেটিস এবং উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।সপ্তাহে,২-৩ দিন আপনার খাদ্য তালিকায় রাখুন বিন জাতীয় খাবার।

শাকসবজি-



শাকসবজি মানেই হল ফাইবার,অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট,ভিটামিন এবং মিনারেলস।অর্থাৎ,শরীরের জন্য দরকারি সব পুষ্টি উপাদান আছে শাকসবজিতে।গাড় সবুজ রঙের শাকসবজিতে রয়েছে ভিটামিন- কে যা হাড়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গাজর এবং মিষ্টি আলুতে রয়েছে ভিটামিন-এ যা চোখের সুরক্ষা এবং ইনফেকশন প্রতিরোধের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আর,প্রতিদিনের২৫-৩৫ গ্রাম ফাইবারের চাহিদা পূরণের জন্য শাকসবজি গ্রহণের বিকল্প নেই।

প্রতিদিন এক মুঠো বাদাম-



সুস্থ এবং নীরোগ থাকতে প্রতিদিন কিছুটা হলেও বাদাম খাওয়া উচিত।তবে,এক রকম বাদাম না খেয়ে মিক্স বাদাম খাওয়া ভাল। কারণ,এক এক ধরনের বাদাম এক এক গুনে অনন্য। কাঠ বাদামে রয়েছে প্রোটিন,ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন-ই,ব্রাজিল নাটে রয়েছে ফাইবার এবং সেলেনিয়াম।সারাদিনে মাত্র ২ টি ব্রাজিল বাদামে পূরণ হবে ১০০%আর ডি আই অব সেলেনিয়াম। কাজুবাদামে রয়েছে নন হিম আয়রন,আখরোটে রয়েছে আলফা লিনোলিক এসিড,প্লান্ট ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।বুঝতেই পারছেন বাদাম থেকে একাধারে-ভিটামিন,মিনারেরলস,ফ্যাট,প্রোটিন,অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পাওয়া যাবে।তবে,সারা দিনে ৩০ গ্রামের বেশি বাদাম গ্রহণ নয়।


হৃদরোগ প্রতিরোধে কী করবেনঃ

 

হৃদরোগ প্রতিরোধে  কী করবেনঃ

একটা সময় পর্যন্ত মনে করা হত, মেয়েদের হার্ট অ্যাটাক হয় না সাধারণত। কিন্তু সাম্প্রতিক অতীতে বদলে গিয়েছে সেই ধারণা৷ এখন বহু কম বয়সি মহিলাও হৃদরোগে আক্রান্ত হন৷



‘‘স্ত্রী হরমোনের প্রভাবেই সাধারণত মেয়েদের হৃদযন্ত্র সুস্থ থাকে। কিন্তু ইদানীং দুনিয়া বদলেছে। বিশেষ করে মেয়েদের জীবনে তৈরি হয়েছে নানা ধরনের অনিশ্চয়তা। সম্পর্ক খুব তাড়াতাড়ি ভেঙে যাচ্ছে, চাকরিবাকরির নিশ্চয়তাও সেই অর্থে নেই৷ ঘর-বাইরে দুটো দিকই একজন মহিলা অনায়াসে সামলাতে পারেন, এমন একটা বিশ্বাস সমাজে প্রচলিত আছে এবং সেটা মেনে চলতে গিয়ে অসম্ভব চাপ নিতে হয় মেয়েদের৷ তাঁরা নিজেদের খেয়াল রাখার সময় পান না৷ এই সব নানা কারণে মেয়েদের হরমোনের ব্যালেন্স নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। বাড়ছে বন্ধ্যাত্ব। প্রচুর মহিলা আজকাল ধূমপানও করেন। ফলে হার্টের অসুখের আশঙ্কাও অনেকটাই বেড়েছে। যদি কারও পরিবারে করোনারি আর্টারি বা ইসকেমিক হার্ট ডিজ়িজ়ের ইতিহাস থাকে এবং দেখেন যে বুকে কোনও সমস্যা হচ্ছে, রাতে ঘুম ভেঙে যাচ্ছে অস্বস্তিতে, আবার খানিক বাদে সেটা আপনিই চলে যাচ্ছে, হাত-পা ফুলছে, নিশ্বাসের কষ্টের মতো কোনও একটি সমস্যাও হচ্ছে, তা হলে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন,’’ বলছেন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. শুভানন রায়৷ হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে চাইলে মেনে চলুন নিচের নিয়মগুলি৷

ময়দা, সাদা চালের ভাতের উপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়ে পড়বেন না: সরল শ্বেতসারের বদলে আপনার রোজের খাদ্যতালিকায় রাখুন লাল চালের ভাত, ব্রাউন ব্রেড৷ এতে শরীরে ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ে, ফাইবারের জোগানও বৃদ্ধি পায়৷

প্রতিদিন প্রাতরাশে ওটমিল খান: ওটমিলে উপস্থিত সলিউবল ফাইবার ও বিটা গ্লুকন নিয়ন্ত্রণে রাখে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল৷ ওটের সঙ্গে সঙ্গে কলা, আপেল, আঙুল, আখরোট, আমন্ডের মতো ফল ও বাদাম খেতে পারলে আরও ভালো হয়৷

প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখুন ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল: যে কোনও ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফলে থাকে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডান্ট, তার ফলে ট্রাইগ্লিসারাইড ও ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ে, ক্ষতিকর কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়৷

খাদ্যতালিকায় রাখুন ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডযুক্ত খাবার: সামুদ্রিক মাছ ও ফ্ল্যাক্সসিড ওমেগা থ্রি সমৃদ্ধ ও আপনার হার্ট সুস্থ রাখতে কার্যকর ভূমিকা নিতে পারে৷

ব্যায়াম করুন, স্ট্রেস রাখুন নিয়ন্ত্রণে: প্রতিদিন ব্যায়াম করুন৷ স্ট্রেসের মাত্রা কখনওই বাড়তে দেবেন না৷ দরকারে মনোবিদের পরামর্শ নিতে পারেন৷ ওজন যেন নিয়ন্ত্রণে থাকে সব সময়ে৷

ধূমপান ও মদ্যপান থেকে বিরত থাকুন: ধূমপান ও মদ্যপান শুধু হার্ট নয়, আপনার সামগ্রিক স্বাস্থ্যের পক্ষেই খুব একটা ভালো নয়৷ ইচ্ছে হলে বরং দু’ পাত্র ওয়াইন পান করতে পারেন মাঝে-মধ্যে৷ বিশেষ করে রেড ওয়াইনের সাপোনিন কোলেস্টেরল কমাতে কার্যকর৷

Monday, August 30, 2021

Nautica Girls' School Uniform Short Sleeve Polo Dress

 

Nautica Girls' School Uniform Short Sleeve Polo Dress


About product: 
  • 60% Cotton, 40% Polyester
  • Imported
  • Button closure
  • Machine Wash
  • School uniform short sleeve polo dress with front tie waist
  • Polo-style collar and button placket
  • Super soft cotton-blend material delivers superior comfort without added weight
Product Linkhttps://amzn.to/3jrv1Ne

পেপ গার্দিওলার সিটি অধ্যায়ঃ

 পেপ গার্দিওলা সিটি অধ্যায়ঃ বর্তমান বিশ্বের ক্লাবগুলোর সেরা কোচদের তালিকা করলে সেখানে গার্দিওলা থাকবেন উপরের সারিতেই। তার কোচিং ক্যারিয়ারে ...